স্টাফ রিপোর্টার
মোঃ আসাদুজ্জামান
বিতর্কিত ৩৪ জন কর্মকর্তার ডিআইজি পদে পদোন্নতির সুপারিশ করার পর থেকে পুলিশ বাহিনীতে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ২৫ নভেম্বর, ২০২৫-এ এই তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর পুলিশের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি) কর্তৃক সুপারিশকৃত তালিকায় আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ কিছু কর্মকর্তা রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।
১৫, ১৭, ১৮ এবং ২০তম ব্যাচের যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বঞ্চিত করে অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য কর্মকর্তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেক ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, কিছু বিতর্কিত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
বর্তমান অবস্থা
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে
বঞ্চিত ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনার জন্য গঠিত একটি কমিটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে একটি প্রতিবেদন পেশ করেছে, যেখানে বিতর্কিত ৩৪ জনসহ ১৩২ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়নি।
এই অসন্তোষ পুলিশের মনোবলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায়, পদোন্নতির সুপারিশগুলো পুনরায় পর্যালোচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, পুলিশের পদোন্নতি নিয়ে চলমান বিতর্ক বাহিনীর মধ্যে বিভেদ ও হতাশার জন্ম দিয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন পেশাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে, অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
