স্টাফ রিপোর্টার
মোঃ আসাদুজ্জামান
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবে তিনি এখনও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার এবং তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন গত ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তাকে কেবিনে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তির পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
তবে তার সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে এবং তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
গত ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
এর আগে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে তার হৃদযন্ত্রে পেসমেকার বসানো হয়।
এভারকেয়ার হাসপাতালের অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা তদারকি করছে।
মেডিকেল বোর্ড সার্বক্ষণিক তার শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
লন্ডন থেকে তার ছেলে তারেক রহমান এবং পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান নিয়মিত তার চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছেন।
এছাড়াও, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি তার পাশে হাসপাতালে আছেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এছাড়াও দলের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
