সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২৮ দফা ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তুরস্কের একাধিক বিশ্লেষক বলছেন—এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে রাশিয়া, আর কৌশলগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউক্রেন।
মূল বিষয়গুলো:
১. রাশিয়া বর্তমানে যেসব এলাকা দখল করে রেখেছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেগুলো তার কাছেই থাকবে।
২. ইউক্রেনের সামরিক শক্তিকে সীমার মধ্যে রাখা হবে, ফলে ভবিষ্যতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সুযোগ কমে যাবে।
৩. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সহায়তার অর্থ রাশিয়ার জব্দ সম্পদ থেকে ফেরত পাবে, কিন্তু ইউরোপকে বহন করতে হবে বিশাল ১০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন ব্যয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব আগের তুলনায় ইউক্রেনের জন্য অনেক বেশি কঠিন ও একপাক্ষিক। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২২ সালে তুরস্কের মধ্যস্থতায় হওয়া ইস্তাম্বুল শান্তি ঘোষণাপত্র ছিল অনেক বেশি ভারসাম্যপূর্ণ। কিন্তু তখন মার্কিন ও ব্রিটিশ চাপে ইউক্রেন সেটি প্রত্যাখ্যান করে।
বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেন কিছুটা পিছিয়ে থাকায় ট্রাম্পের পরিকল্পনার মতো কঠোর চুক্তি মেনে নিতে তারা বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে, ট্রাম্প যদি ২৭ নভেম্বরের মধ্যে সময়সীমা চাপিয়ে দেন এবং মার্কিন সহায়তা বন্ধ করে দেন, তাহলে ইউক্রেনকে কেবল ইউরোপীয় সহায়তায় যুদ্ধ চালাতে হবে—যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।
