আন্তর্জাতিক ডেস্ক
চীনের ক্রমাগত সামরিক আগ্রাসন ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তাইওয়ান তাদের প্রতিরক্ষা বাজেটে অতিরিক্ত ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস নয়।
তিনি বলেন, “চীন যেভাবে আমাদের চারপাশে সামরিক চাপ বাড়াচ্ছে, তাতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।”
প্রেসিডেন্টের ঘোষণায় আরও জানানো হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এই হার প্রায় ২.৫ শতাংশ।
নতুন এই অর্থায়ন ব্যবহৃত হবে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে:
- সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার
- আকাশ নজরদারি প্রযুক্তি উন্নয়ন
- ড্রোন ও আর্মড UAV সক্ষমতা বাড়ানো
- দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি আধুনিকীকরণ
বিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট তাইওয়ানের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা ব্যয়ের পরিকল্পনা। এটি অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি চীন একাধিকবার তাইওয়ানের আকাশ ও জলসীমায় সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যা তাইপের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তাইওয়ানের নতুন বাজেট ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ।
