ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, ধেয়ে আসছে উপকূলের দিকে সাগরে যেতে বারণ

স্টাফ রিপোর্টার

মোঃ আসাদুজ্জামান

বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখ দুপুর থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’-তে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের সব সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২৭ নভেম্বর, দুপুর ১২টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২,০৪০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৯৮০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ১,৯৪০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৯৩৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমি-এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ৬২ কিমি, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিমি পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সাগরে বিচরণ না করার জন্য নিষেধ করা হয়েছে। সেই সাথে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ইয়েমেন এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছে ‘ডিটওয়াহ’।
প্রাথমিকভাবে এই ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের তামিল নাড়ু এবং অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর প্রভাবে ৪ থেকে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে।

৩ ডিসেম্বরের মধ্যে আমন ধান কেটে ও মাড়াই করে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শীতকালীন সবজি চাষিদের সম্ভাব্য বৃষ্টির কথা মাথায় রেখে বীজ বোনা ও সেচ দেওয়ার প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *