আঃমাবুদ
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ আমার অহংকার’-
এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মাদক নির্মূলে র্যাব -১৩ নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও টহল কার্যক্রম এবং মাদকবিরোধী অভিযান ও চেকপোস্ট পরিচালনা করে থাকে। র্যাবের চলমান এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় ইং ৩০/১১/২০২৫ তারিখে রাত ১০.২৫ ঘটিকায় সিপিসি-৩, গাইবান্ধা, র্যাব-১৩, রংপুর এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সোহাগ বোর্ডিং (আবাসিক) এর রুম নং-০৭ গ এর ভিতরে তল্লাশীকালে ধৃত ০১নং আসামি মোঃ আব্দুল মতিন এর হেফাজতে থাকা নেভি ব্লু রংয়ের ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর হতে ৭১ (একাত্তর) বোতল এবং ০২নং ধৃত আসামি কামাল হোসেন এর হেফাজতে থাকা কালো রংয়ের ট্রাভেল ব্যাগের ভিতর হতে ৬০ (ষাট) বোতল সর্বমোট ১৩১ বোতল ফেনসিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য এসকাফ জব্দসহ ০১। মোঃ আব্দুল মতিন (৫০), পিতা-মৃত আব্দুল জব্বার মুন্সি, মাতা-মৃত সালমা বেগম, ০২। কামাল হোসেন (৬৫), পিতা-মৃত আব্দুল বাসির, মাতা-মৃত রাহেলা বেগম, উভয় সাং-রাউতনগর, ওয়ার্ড নং-০২, থানা-রানী শংকর কৈল, জেলা-ঠাকুরগাঁও আসামি‘দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামিগণ গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য এসকাফ ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সু-কৌশলে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামিগণ অভিনব সব কৌশল অবলম্বন করে মাদক পরিবহন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক ধৃত আসামিগণ ও জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্থান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।
