বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, “গত ১৫ বছরে দেশে যে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছে, সেটাকে টিকিয়ে রাখতে অনেক সাংবাদিক নিজেরাই ভূমিকা রেখেছেন। কেউ বাধ্য হননি, তারা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে এই দানবীয় শাসনের অংশ হয়ে গেছেন।”
শনিবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশনের মতোই সংবাদমাধ্যমকেও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ সময় কিছু সংবাদকর্মী নিজেরাই এ শাসনের মুখপাত্রে পরিণত হয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা জানি, প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থেকেও কিছু সাহসী সাংবাদিক এখনো সত্য বলছেন, সত্য লিখছেন। তাদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা রইল। তবে যারা দালালি করছেন, তাদের কথাও ইতিহাস ভুলবে না।”
মির্জা ফখরুল বলেন, “যখন দেশে ভোটাধিকার নেই, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই—তখন সাংবাদিকদের উচিত জনগণের পক্ষে দাঁড়ানো, সরকারের নয়। কিন্তু এখানে অনেকেই সরকারের মিথ্যাচার ঢাকতে ব্যস্ত।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তখন সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন।
