কোমলমতি এক কোটি শিশুর বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চিত এ কেমন নিষ্ঠুর আন্দোলন শিক্ষকদের

স্টাফ রিপোর্টার

মোঃ আসাদুজ্জামান

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে প্রায় ১ কোটি শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শিক্ষকরা তাদের তিন দফা দাবি পূরণ না হলে ৩০ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, যা বার্ষিক পরীক্ষা পেছানোর কারণ হতে পারে।

সহকারী শিক্ষকদের এন্ট্রি পদকে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা।
শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা।
১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসন করা।
বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে তৃতীয় প্রান্তিক বা বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল।

অনেক শিক্ষক সংগঠন ২৯ নভেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতির পাশাপাশি ১১ ডিসেম্বর থেকে লাগাতার অনশনেরও হুমকি দিয়েছে।
এর ফলে সময়মতো পরীক্ষা হবে কিনা তা নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
বৃত্তি পরীক্ষা নিয়েও জটিলতা
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্ট রায় দিয়েছে যে বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নিতে পারবে।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ কারণে ডিসেম্বরে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়েও সংশয় রয়েছে।

অন্যান্য বছরের পরিস্থিতি
২০২৩ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং হরতাল-অবরোধের কারণে বার্ষিক পরীক্ষা পেছানোর ঘটনা ঘটেছিল।

কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যতকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়ে শিক্ষকরা যে কর্মসূচি দিচ্ছেন তা তোমার মত শিশুদের উপরে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা পাশাপাশি শিক্ষকদের যে সকল যৌক্তিক দাবি আছে তা সরকারের দ্রুত বাস্তবায়ন করে শিক্ষাঙ্গনকে স্থিতিশীল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *